ক্ষুধা যখন লজ্জা পেয়ে মুখটা আড়াল করে,
মনুষ্য প্রেম জাল বিছিয়ে খাদ্য খেয়ে মরে।
উপায়বিহীন তামাশাতে দিল অভিশাপ,
খায় না কেন খাপ!
হাসিমুখে রোগী যখন হাসপাতালে যায়,
অসুখ-বিসুখ নৃত্য করে সঙ্গী হতে চায়।
এই অসুখের বিচার সুরে মামলা ছাড়া রায়,
মহা সুখী কবিরাজের মনটা দিল সায়।
নিরিবিলি একটা ভোরে তোমার সাথে দেখা,
সেখান থেকে মনের কথা খুলে বলতে শেখা।
কাহিনিখান শুনে বলো আহ্লাদের ঢেঁকি,
ক্ষুধার জ্বালার অভিনয়ে সব চেহারাই মেকি।
২২ জুলাই ২০১৩। ঢাকা