
DAAM KOMECHE

DIN ULTAY PALTAY SHANTONA KAR POKET A
দিন.........
উল্টায় -পাল্টায় সান্তনা কার পকটেে !
সময়টা যাচ্ছে কেটে
রক্তের স্বাদ চেটে –
কমবশেি কছিুটা ছেঁটে......
অলৌককি ককি মরেে ফুটবলে গোল,
সারছে আহার – সব্জীবাহার –
মাংশ ছড়েে ঝোল – ফুটবলে গোল ।
সম্পাদনায় বসেুরো সব বাজছে বহোয়া ঢোল।
দুইয়ে দুইয়ে পাঁচ অংক হসিবেে ভজোল,
পুঁটি মাছ পরবিারে কাতল মাছদেরে ঝাল।
রুই-চতিলরে নগ্ন শরীর বশ্বিায়নরে ফাঁস,
জানাজানি র্মূখ খলো হাতে হাতে তাস।

DUR ISARAI BOHU DUR
দুর ইশারায় বহু দুরে
আছরে পরে আকাশ,
কি হয় তোদের একটুখানি
আদর বেশি মাখাস ।
দুরের মানুষ কাছের মানুষ
জটিল সমীকরণ,
সরল মনে তরল কাধেঁ
করছি তাকে বরণ ।
রাস্তা ভুলে এই পৃথিবীর
জট পাকানো গলি,
কান্না মুছে কষ্ট গুলো
ভাবছি কাকে বলি ।

DHARABAHIK GOLPOTA
ধারাবাহিক গল্পটাতে
ক্যানো মাঝখানে আজগুবি ঝাঁপ!
কে করল রাগ, ক্যানো করল রাগ।
কে মগ্ন ভীষণ হিসাব খুলে গুণ-ভাগ!
যোগ-বিয়োগের আত্মীয়তায় তাই সূত্র পেয়ে অবাক!
ভাববে কে কী অনুমানে ঘটনাটা চুপ থাক।
সে বলছে থাক, সে বলছে থাক।
সে নিজেই নিজের ছবি দেখে ভয় পাক।
বর্ণনাতে হাতেনাতে প্রমাণ দিল সকাল
দুপুর রোদের তাপে ভিজে আস্থা নামের কঙ্কাল।
সে বলছে যাক, সে বলছে যাক।
সে নিজেই নিজের রাস্তা ভুলে ফিরে যাক।
১৯ জুন, শুক্রবার, ২০১৫। রাত ১২:৫৯। ঢাকা।

DOKKHIN HOSTO
দক্ষিণ হস্ত, কতটা মস্ত!
উত্তরে সমস্ত...
ব্যস্ত পাঠশালা জলদি পালা পালা
খাদ্য বাদ্য বাড়িতে হাঁড়িতে রান্না বন্ধুর গোশত!
বিষয়টা জটিল থেকে জটিলতর
যেমন ইশকুলে হাত-পা কাঁপত থরথর
না পারলেও স্যার বলত অঙ্ক করো করো
না হলে মরো মরো।
নিজের গাছের যে কটা ডাল,
সেটাই যেন হয়েছে কাল!
এক টন চিনি-গুড় ঢেলে দিলেও
সবার কাছে মনে হয় ঝাল।
তাই দিচ্ছি ফুঁ নিচ্ছি ফুঁ
হয় জ্বলবে আগুন;
জ্বলবে মন্ত্রের জ্ঞান, করছি ধ্যান।
বিষয়টা আসলেই জটিল থেকে জটিলতর!
তোমরা পারলে কিছু একটা করো।
না হলে আয়নাতে নিজেদের চেহারাটা দেখে মরো
উত্তর-দক্ষিণ ডান-বাম ডান-বাম
কাঁঠালগাছে ক্যানো আম!
২৮ জানুয়ারি ২০১৪, ঢাকা।
দক্ষিণ হস্ত, কতটা মস্ত! কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: শাওন গাউস। সংগীতায়োজন: অনম বিশ্বাস। কণ্ঠধারণ: ০২ এপ্রিল ঢাকা

DUKKHOTE DOSHE PAI DOSH
দুঃখতে দশে পায় দশ, সুখ পুষে পায় সাত,
খোলা ঘর দুই হাত।
সামান্য জোছনা কুড়িয়েছে সারা রাত।
কৈফিয়তের চিঠি বারবার ভুল ঠিকানা
মুছে যায় বেখেয়ালে করেনি তো কেউ মানা,
অতঃপরের পরে অনেকটা দূর যত দূর
নিশ্বাস পৌঁছায় আশ্বাস তত ভরপুর।
গোলমেলে যোগাযোগ কিছুতেই হয় না তো যোগ
শিকারের লুকোচুরি তুমি শুধু করো উপভোগ,
সাঁতারের অবসরে ফিরে আসে নিজের ঘরে
মুছে যাওয়া অক্ষর মনে পড়ে অনেক পরে
১৫ মে ২০১৩, ঢাকা।
দুঃখতে দশে পায় দশ, সুখ পুষে পায় সাত। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: নওশেন জাহান দুনিয়া।সংগীতায়োজন: নির্ঝর চৌধুরী ও রোকন ইমন। কণ্ঠধারণ: ০২ জুলাই ২০১৩, ঢাকা।

DHAR KORA KICHUTA SHOMOY
ধার করা কিছুটা সময় যদি বেহিসেবি ধাপ ফেলে ঝাঁপ দিতে চায়;
সবাই বলে হায় হায়
কেন যায় কোন দিকে ক্ষমতার সামর্থ্য আশপাশ।
কাচঘেঁষা বৃষ্টির ছিটেফোঁটা নিশ্বাস; বসবাস।
জ্যোতির্ময়ের কাছে লেখা চিঠি কাগজটা উড়ে যায়, বেচারা।
ষোলো আনা জীবনের বুঝে নিতে খানিকটা কিছু সাঁতারে ভেসে যায়;
সবাই বলে হায় হায়
বাজারের উঁচু দাম, নিচু দাম সামর্থ্য সম্বল।
অযথাই বঞ্চিত জটিলতা বুঝে নিতে চোখে জল, কথা বল।
জ্যোতির্ময়ের কাছে লেখা চিঠি কাগজটা উড়ে যায়, বেচারা।
৩০ জুন ২০১৩, ঢাকা।
ধার করা কিছুটা সময় যদি বেহিসেবি ধাপ ফেলে। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: সোহিনী আলম। সংগীতায়োজন: শায়েখউদ্দীন (শান)। কণ্ঠধারণ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ঢাকা।

DERI KORONA
দেরি করো না...
চলে যাবার পরে, পড়ছে মনে সান্তনা।
সময়মতো হয় না কেন সয় না চোখের পাতা,
কুসুম আরাম লুকিয়ে থাকে ভুলো মনের খাতা।
জন্ম হলো যাদের কারণ করছি সেটারই খোঁজ,
আড়াল থেকে আদর করে রাখছে কাঁধে হাত রোজ।
লতাপাতার লুকোচুরি অনেক দিনের চেনা বই,
জয়জয়কার কত আয়োজন কেমন করে আমি সই।
আয়নাগুলোর বায়না দেখে অনেক কথা বলা বারণ,
বৃক্ষ তোমার মন খারাপের জানতে পারি কী কারণ।
৩০ জুন ২০১৩, ঢাকা।
দেরি করো না...। কথা + সুর: এনামুল করিম নির্ঝর। শিল্পী: ফাহমিদা নবী। সংগীতায়োজন: রেজাউল করিম লিমন। কণ্ঠধারণ: ২০ জুলাই ২০১২, ঢাকা।